যবিপ্রবির নীল দলের নতুন কমিটি গঠন

৩০ জুন, ২০২১ ২০:৪৩  
  যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) নীল দলের (মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী শিক্ষকবৃন্দ) নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। আগামী দুই বছরের জন্য নীল দলের নতুন কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ ও সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. মো. ফিরোজ কবীর। যবিপ্রবির মাইকেল মধুসূদন দত্ত কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার কাম একাডেমিক ভবনে গত ২৯ জুন অনুষ্ঠিত নীল দলের সাধারণ সভায় কমিটির জন্য গঠিত নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোঃ জাফিরুল ইসলাম নতুন এ কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন যবিপ্রবির শিক্ষক ড. মোঃ আশরাফুজ্জামান জাহিদ, ড. মোঃ মেহেদী হাসান, ড. মোঃ কামাল হোসেন, ড. সেলিনা আক্তার, ড. মোঃ জাবেদ হোসেন খান, মোঃ মুনিবুর রহমান, ড. হাসান মোঃ আল-ইমরান, ড. এ এস এম মুজাহিদুল হক, অধ্যাপক ড. মোঃ নাজমুল হাসান, ড. শিরিন নিগার, অধ্যাপক ড. মোঃ জাফিরুল ইসলাম, ড. মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন, ড. মোঃ হাফিজ উদ্দিন এবং ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন যবিপ্রবির শিক্ষক ড. মোঃ নাসিম আদনান, প্রভাস চন্দ্র রায়, ড. মোঃ কোরবান আলী, তানভীর আহমেদ, মোহাম্মদ নওশীন আমীন শেখ, মোঃ রাফিউল হাসান, রুহুল আমীন, উত্তম গোলদার, মোঃ শাহীন সরকার, মোস্তাফিজুর রহমান, ড. মনজুরুল হক এবং মোঃ মজনুজ্জামান। একইসঙ্গে যবিপ্রবির সাতটি অনুষদের অনুষদভিত্তিক কমিটিও ঘোষণা করা হয়। এদিকে নীল দলের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ আজ সকাল ১০টায় যবিপ্রবির প্রধান ফটকস্থ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বেলা ১১টায় যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। যবিপ্রবি উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নীল দলে তার নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও লালনের জন্য নীল দলের ভূমিকা অপরিসিম। যবিপ্রবিতে সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়ার সুযোগ নেই। তবে আপনারা যাঁরা মুক্তিযুদ্ধের চিন্তা-চেতনায় বিশ্বাসী, তারা একসাথে থাকতে পারেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি রক্ষায় ক্যাম্পাসের বাইরের কোনো অপরাজনীতির সাথে আপনারা জড়িত হবেন না।